বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানালেন বিশেষজ্ঞরা
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবার প্রগাঢ় আকার ধারণ করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, যদি জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা নাও করে, তাহলে রোগটির বিস্তার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। করোনা মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সরকারের পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনাগুলি প্রতিপালন করা জরুরি হয়েছে।
বর্তমানে, দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশে করোনা শনাক্তের এক নতুন ঢেউ দেখা দিয়েছে, যা জনগণের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ নাগরিক মনে করছেন, যদি তারা স্বাস্থ্যবিধিতে অবহেলা করেন, তাহলে তাদের স্বাস্থ্যের জন্য তা বিপজ্জনক হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকারী নির্দেশনা observance করা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাটা কেন জরুরি, তা বোঝাতে হবে। তারা বলছেন, কোন ধরনের জনসমাবেশে না যাওয়া এবং মাস্ক পরে বাইরে বের হওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কারণ, সার্স-কোভ-২ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে বাতাসের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রাদুর্ভাব আবার বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ জনসাধারণের স্বাস্থ্যবিধি মানার অনীহা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরে স্বাস্থ্যবিধির প্রতি জনগণের অবহেলা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে করোনা সংক্রমণ জ্যামিতিক হারে বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশিকা মেনে চলা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে এবং নিজের ও অপরের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হতে হবে। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও এই সময়ে বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষিত থাকতে উৎসাহিত করছে।
তার সাথে সাথেই, সরকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগ লোকজনকে টিকা গ্রহণে উৎসাহিত করছে। টিকা নেওয়ার পরও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি সচেতনতা অপরিহার্য। কোনও ব্যক্তি যদি করোনায় আক্রান্ত হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই আইসোলেশনে থাকতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, তারা বাড়ির বাইরে বের হওয়ার সময় যদি মাস্ক না পরেন এবং একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় না রাখেন, তাহলে তারা নিজে সংক্রামিত হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও আক্রান্ত করতে পারে। এ কারণে নাগরিকদের উচিত, নিজেদের এবং সেবা দেওয়া জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বদা সচেতন থাকা।
সাধারণ জনগণের মধ্যে এই করোনা মহামারি নিয়ে যে আতঙ্ক বিরাজ করছে তা কাটিয়ে ওঠা একমাত্র ব্যবস্থাই হচ্ছে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। কর্তৃপক্ষের উচিত এই বিষয়গুলোতে জনগণকে সচেতন করা এবং সকল স্বাস্থ্যসেবী প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রচার করা।





